OrdinaryITPostAd

ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য প্রফেশনাল পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরির নিয়ম।

ওয়েবসাইট খোলার ৭টি নিয়ম বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে পোর্টফোলিও তৈরি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে গেছে।ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য প্রফেশনাল পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরির নিয়ম আপনি যদি না জানেন তাহলে আপনার কাজের জন্য  ক্লায়েন্ট পাওয়া যাবে না।

ফ্রিল্যান্সিং-কাজের-জন্য-প্রফেশনাল-পোর্টফোলিও-ওয়েবসাইট-তৈরির-নিয়ম
কারণ ক্লায়েন্টরা আপনার ওয়েবসাইট দেখে বুঝতে পারে আপনাকে যে কাজ দেওয়া হবে সে কাজ আপনি ভালোভাবে পারেন কিনা।এখন আপনি কিভাবে এই পোর্টফলিও ওয়েবসাইট তৈরি করবেন তা আজকের পোস্টে জানতে পারবেন।

পেজ সূচিপত্রঃ ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য প্রফেশনাল পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরির নিয়ম। 

ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য প্রফেশনাল পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরির নিয়ম। 

আজকালকার যুগে মানুষ নানাভাবে টাকা আয় করে।তবে আপনি যদি বাইরের কোন ঝড় ঝামেলা না পাকিয়ে ঘরে বসে আয় করতে চান তাহলে ফ্রিল্যান্সিং আপনার জন্য ভালো বলে আমি মনে করি।এখন কথা হলো আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করতে চান তাহলে আপনাকে তো ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সম্পর্কে জানতে হবে।এখন আপনি যদি শুধু কাজ শিখেন তাহলে তো হবে না।আপনার কাজ আপনার ক্লায়েন্টকে দেখাতে হবে।তারপর উনি পছন্দ করলে আপনাকে কাজ দিবে।আসল কথা হলো আপনি যে সেই কাজে দক্ষ সেটা আপনার ক্লায়েন্ট কিভাবে বুঝতে পারবে। 

তাহলে আমি বলবো ক্লায়েন্ট আপনার পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট থেকে আপনার কাজের ধরন দেখে যদি মনে করেন আপনি উনার কাজ ঠিকঠাকভাবে করতে পারবেন।তাহলে উনার আপনার প্রতি  একটা বিশ্বাস তৈরি হবে। ধরেন আপনি আপনার ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য যত কাজ দরকার সব কাজ পারেন।তাহলে এখন কি করবেন এখন আপনাকে পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে।আপনি কিভাবে প্রফেশনাল মানের পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করবেন তার নিয়মাবলী, আপনি এই পোস্টে জানতে পারবেন। 

পোর্টফোলিও তৈরির জন্য অনেকগুলো ভালো ভালো সাইট আছে।তবে আপনি চাইলে সহজে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে পোর্টফোলিও তৈরি করতে পারেন।ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য প্রফেশনাল পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরির নিয়ম  দেওয়া  হলো-

  • প্রথমে আপনাকে ক্রোম ব্রাউজারে গিয়ে লিখতে হবে penthion.io।এটা ইংরেজিতে লিখে সার্চ দিতে হবে। 
  • আপনার সামনে এরকম একটা পেজ আসবে। এখান থেকে আপনাকে প্রথমটা সিলেক্ট করতে হবে। 
  • এরপর আপনার সামনে এরকম একটা পেজ  চলে আসবে।তারপর এখান থেকে আপনাকে মেন আইকনে সিলেট করতে হবে। 
  • তারপর আপনাকে আপনার গুগল একাউন্ট অথবা ইমেইল দিয়ে লগইন করতে বলবে।আপনি আপনার গুগল একাউন্ট দিয়ে ওয়েবসাইট দিয়ে লগইন করে নিবেন। 
  • তারপর আপনাকে এখান থেকে আপনার নাম, ইমেইল আর আপনার দেশের নাম সিলেক্ট করতে হবে। এরপর কন্টিনিউ বাটনে ক্লিক করতে হবে। 
  • কন্টিনিউ বাটনে ক্লিক করার পরে আপনাকে ক্রিয়েট নিউ সাইটে ক্লিক করতে হবে। 
  • তারপর এখানে আপনার কাছে তিনটা সাইট দেওয়া থাকবে আপনি কোন সাইডে পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান। তবে আপনার জন্য ভালো হবে আপনি ওয়ার্ডপ্রেসে ক্লিক করলে। 
  • ওয়ার্ডপ্রেস সাইট সিলেক্ট করার পরে আপনার কাছে সাইটের  কিছু ইনফরমেশন চাইবে। এখানে আপনি আপনার ইনফরমেশন দিয়ে দিবেন। আর এখানে আপনি কান্ট্রি ইউনাইটেড স্টেট সিলেক্ট করে দিবেন। 
  • তারপরে এই সাইটে এসে আপনাকে আপনার ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড দিয়ে দিতে হবে। এখান থেকে আপনাকে ইনস্টল ওয়ার্ডপ্রেসে ক্লিক করতে হবে। 
  • তারপর আপনি আপনার ওয়ার্ডপ্রেসের ড্যাসবোর্ডে চলে যাবেন। ড্যাশবোর্ডে আপনি ইউজার নামে একটা অপশন দেখতে পাবেন যেখানে আপনাকে কিছু তথ্য ফিলাপ করতে হবে। 

  • তথ্য ফিলাপ করার পরে এখানে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের হোস্টিং লিঙ্ক চাইবে। 
  • এখন আপনার কাছে যদি নিজস্ব হোস্টিং না থাকে তাহলে আপনি ক্রোম ব্রাউজারে গিয়ে হোস্টিং লিখে সার্চ দিবেন। 
  • তারপর এখানে এসে আপনি আপনার পছন্দমত হোস্টিং কিনে নিতে পারবেন। 
  • ড্যাশবোর্ডে গেলে আপনি অ্যাপিয়ারেন্স নামে একটা অপশন দেখতে পাবেন। এখানে ক্লিক করলে ওয়ার্ডপ্রেস আপনাকে অনেকগুলো থিম দেখাবে। 
  • তারপরে এখান থেকে আপনি আপনার পছন্দমত কোনো থিম ইন্সটল করে নেবেন। 
  • থিম ইন্সটল করার পরে আপনি আবার ড্যাশবোর্ডে গেলে এস্ট্রা নামের অপশন দেখতে পাবেন।আপনাকে এখানে ক্লিক করতে হবে 
  • তারপর আপনার সামনে এরকম তিনটা সাইট আসবে।যেটা দিয়ে আপনি থিম কাস্টমাইজ করবেন।তো আপনি এলিমিনেটর সিলেক্ট করে নেবেন। 
  • এলিমিনেটর সিলেক্ট করার পরে আপনার সামনে বিভিন্ন ক্যাটাগরির টেমপ্লেট আসবে।আপনি যে ক্যাটাগরির ওয়েবসাইট বানাতে চান সেটা সিলেক্ট করবেন।তবে আপনি যেহেতু পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বানাতে চান তার জন্য আপনাকে পার্সোনাল সাইটে ক্লিক  করতে হবে। 
  • তারপরে এখান থেকে পোর্টফোলিও এবং সিভিতে ক্লিক করতে হবে 
  • এরপর আপনার সামনে পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরির অনেকগুলো টেমপ্লেট চলে আসবে।আপনি এখান থেকে আপনার পছন্দমত টেমপ্লেট সিলেক্ট করে নিবেন।
     
  • তারপর আপনি এরকম একটা সাইটে চলে আসবেন। যেখান থেকে আপনি আপনার ওয়েবসাইট বানানোর সকল কিছু কাস্টমাইজ করে নিতে পারবেন। আপনি এখানে লোগোতে চাপ দিলে আপলোড ইউর লোগো এরকম একটা অপশন আসবে। আপনি আপনার ওয়েবসাইটে যে লোগো দিতে চান এখান থেকে সেটা সিলেক্ট করে নিবেন।
  • এছাড়া এখানে যে লেখা আছে হেডিং এ আপনি চাইলে নিজের মনের মত একটা লেখা দিতে পারেন। আপনি এখানে যেটা পরিবর্তন করতে চান সেটার উপরে ক্লিক করলে তা চেঞ্জ করার অপশন চলে আসবে।তারপর আপনি এই সাদা বক্সে গিয়ে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে হেডিং এ যা দিতে চান তা দিতে পারবেন। 
  • এছাড়া আপনি চাইলে আপনার ফ্রন্ট এর কালার এখান থেকে চেঞ্জ করতে পারবেন। 
  • তারপর আপনি যদি চান আপনি এই ছবিটাকে চেঞ্জ করে আপনার ছবি দিবেন। তাহলে আপনাকে ছবির উপরে ক্লিক করতে হবে। তাহলে আপনার ছবি পরিবর্তনের অপশন চলে আসবে। 
  • ছবির উপর সিলেট করলে এরকম একটা অপশন আসবে। যেখান থেকে আপনি আপনার ফাইল থেকে আপনার পছন্দমত ছবি আপলোড করতে পারবেন। 
  • এছাড়া এখানে যে মেনু আছে সেগুলো আপনি আপনার মত কাস্টমাইজ করে নিতে পারবেন। 
  • মেনু কাস্টমাইজ করার জন্য আপনাকে এডিট উইথ এলেমিনেটর ক্লিক করতে হবে।
     
  • আপনি যে মেনু কাস্টমাইজ করতে চান সেটা আপনি করতে পারবেন নিজের মনের মত করে। 
  • এছাড়া আপনি পোর্টফোলিও মেনুতে গেলে অনেকগুলো পোর্টফোলিও দেখতে পাবেন। 
  • আপনি এগুলো কাস্টমাইজ করে নিজের পোর্টফোলিও  এখানে বসাতে পারবেন।
  • তারপর কন্টিনিউ বাটনে ক্লিক করলে আপনার ওয়েবসাইট আস্তে আস্তে  তৈরি হয়ে যাবে।
     
  • আপনার সামনে এরকম লেখা আসলে বুঝে নিবেন আপনার ওয়েবসাইট তৈরি হয়ে গেছে। 

পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বলতে কি বুঝায়?

আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করার কোন কথা ভেবে থাকেন তাহলে আপনাকে পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানতে হবে ও বুঝতে হবে। আপনি যদি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট কি বুঝায় সেটাই না জানেন তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করেও কোন লাভ করতে পারবেন না। আপনাকে একটা বাস্তব উদাহরণ বলি। আপনি যখন দোকানে কেনাকাটা করতে জান  তখন আপনি নিশ্চয়ই দোকানের আশেপাশে ভালোভাবে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখেন। তারপর ওখানে কোন ভালো আপনার পছন্দমত কোন জামা বা জুতা দেখতে পেলে আপনি সেটা কিনতে চাইবেন তাই না?  

আরো পড়ুনঃ ফ্রী ডোমেইন হোস্টিং দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট তৈরির নিয়ম 

তার উপরে কোন কাস্টমার যদি আপনি যে জিনিসটা কিনতে চান সেটার উপরে ভালো কোন কমেন্ট করে তাহলে তো আপনি অবশ্যই মনে করবেন যে সে জিনিসটা ভালো। অনলাইন পোর্টফোলিওর ব্যাপার কিছুটা এরকম। আপনি যখন পোর্টফোলিও তৈরি করবেন সেখানে আপনি আপনার কাজের খুঁটিনাটি বিষয় বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করবেন। আপনার ক্লায়েন্ট যখন আপনার পোর্টফোলিও ভালোভাবে দেখবে তখন যদি আপনার কাজ তার পছন্দ হয় সে আপনাকে কাজ দিতে চাইবে ঠিক দোকানের কেনাকাটা জামার সিস্টেম এর মতো। 

পোর্টফোলিও-ওয়েবসাইট-বলতে-কি-বুঝায়

আসলে পোর্টফোলিও  হচ্ছে আপনার কাজ আর কাজের ধরন ডিজিটাল মাধ্যমে ক্লায়েন্টকে দেখানোর একটা উপায়। এখানে আপনি আপনার কাজের নমুনা ছবি দিয়ে, ভিডিও দিয়ে মানুষকে আপনার কাজের প্রতি আকৃষ্ট করতে পারবেন।


আগেকার যুগে চাকরির জন্য শুধু সিভি দিলে চাকরি হয়ে যেত। কিন্তু এখন শুধু সিভি দিলে চাকরি হয় না। এখন আপনাকে সিভির পাশাপাশি আপনার নিজের একটা পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে হবে। আর সেখানে আপনি যে কাজ ভালো পারেন সে কাজের স্যাম্পল দিয়ে দিতে হবে।

তাছাড়া আপনার পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটে আপনার সাথে যাতে ক্লায়েন্টরা যোগাযোগ করতে পারে তার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। অনেকে ওয়েবসাইটে নিজের নাম্বার অথবা ইমেইল এড্রেস দিয়ে দেয়।


আপনি চাইলে আপনিও এমনটা করতে পারেন। তাহলে ক্লায়েন্টের সাথে আপনার ভালো সম্পর্ক  বজায় থাকবে। তাছাড়া কেউ যদি আপনার কাজ দেখে প্রশংসা করে সেটাও আপনার ওয়েবসাইটে দিয়ে দিতে পারেন। তাহলে মানুষের আপনার ওয়েবসাইটের প্রতি একটা বিশ্বাস জন্মাবে। 

কাদের জন্য পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করা প্রয়োজন? 

আজকালকার যুগে নানা জায়গায় পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করার প্রয়োজন হয়ে গেছে। বিশেষ করে যারা চাকরি করতে চায় অথবা নিজের দক্ষতা সবাইকে দেখাতে চায় তাদের জন্য তো পোর্টফোলিও  ওয়েবসাইট তৈরি করা অবশ্যই প্রয়োজন। যারা ফ্রিল্যান্সিং করে তাদেরকে অনেক কাজ করতে হয়। যেমন ভিডিও এডিটিং,গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন এসব কাজে জন্য ফ্রিল্যান্সারদের পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করা লাগে। কেননা তাদের কাজের গুণের উপরে সবকিছু নির্ভর করে।

আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করেন তাহলে আপনার ক্লায়েন্ট আপনার ওয়েবসাইট দেখলে আপনার কাজ ভালো না খারাপ সেটা সহজে বুঝতে পারবে। আপনার কাজ যদি ভাল হয় তাহলে ক্লায়েন্ট আপনাকে তার কাজ করার সুযোগ করে দেবে। তবে শুধু যে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য পোর্টফোলিও তৈরি করা লাগে ব্যাপারটা এরকম না। এছাড়া আপনি যদি ভালো কোন পদে চাকরি করতে চান তাহলেও আপনাকে পোর্টফোলি ওয়েবসাইট তৈরি করা লাগবে। তার কারণ হলো এখনকার সময়ে মানুষ শুধু আর সিভি দেখে চাকরি দেয় না। তারা এখন পোর্টফোলিও দেখে চাকরি দেয়। 

আরো পড়ুনঃ নতুন ফ্রিল্যান্সার দের জন্য ৫টি সেরা মার্কেটপ্লেস 

কারণ পোর্টফোলিওতে তাদের সার্টিফিকেট, কোন কোন কাজে ভালো পারে এসব বিষয় থাকে। এছাড়া আপনি যদি ক্রিয়েটিভ পারসন হন যেমন ছবি আঁকা, সুন্দর রান্না করা, মডেলিং করা এগুলো যদি আপনি পারেন তাহলে আপনি আপনার নিজের একটা পোর্টফোলিও  ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনার এসব ক্রিয়েটিভিটি আপনার দর্শকদের সামনে তুলে ধরতে পারবেন। আপনার কাজ দেখে যদি তাদের ভালো লাগে তাহলে তারা আপনাকে এরকম আরো বড় বড় কাজ করার জন্য ডাক দিবে। 

এছাড়া আপনি যদি ব্যবসায়ী হন তাহলে আপনার ব্যবসার খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে আপনার কাস্টমার কে জানানোর জন্য আপনাকে একটা পোর্টফোলিও  ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। এতে করে আপনার কাস্টমারের সাথে ভালো ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠবে। এমন কি আপনার ব্যবসা-বাণিজ্যের আয় উন্নতিও বেড়ে যাবে। তাই আপনি যদি ভেবে থাকেন যে পোর্টফোলিও শুধু ফ্রিল্যান্সদের জন্যই কাজে লাগে তাহলে  আপনি এতদিন ভুল ছিলেন। তাই আপনি যদি ক্রিয়েটিভ কোন কাজ বা ফ্রিল্যান্সিং, ব্যবসা-বাণিজ্যের কাজ করে থাকেন তাহলে আজকে আপনার নিজের একটা পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বানিয়ে ফেলুন। 

ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

একজন ফ্রিল্যান্সারের সফলতা তার  কাজের উপর নির্ভর করে। ধরেন আপনার ইচ্ছে হলো আপনিও ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা আয় করবেন। এখন আপনি যদি টাকা আয় করতে চান তাহলে তো আপনাকে ভালো ভালো ক্লায়েন্ট  পেতে হবে তাই না? তো এখন আপনি ক্লায়েন্ট পেতে কি বাজারে বাজারে গিয়ে প্রচার করবেন যে আপনি কাজ পারেন। যদি করেন তাহলে সেটা কোন কাজে আসবে না। আপনি এইভাবে হয়তো একজন  দুইজন ক্লায়েন্ট পাবেন। কিন্তু আপনি যদি আপনার কাজের দক্ষতা একটা ওয়েবসাইটে সাজিয়ে রাখেন তাহলে তো আর আপনাকে এত কষ্ট করতে হয় না। 

ফ্রিল্যান্সিংয়ের-জন্য-পোর্টফোলিও-ওয়েবসাইট-কতটা-গুরুত্বপূর্ণ

আপনার ক্লায়েন্টের যখন কাজের প্রয়োজন হবে  তখন সেখান থেকে আপনার কাজগুলো দেখতে পারবে সহজে। আর তাছাড়া আপনার পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটে আপনার সাথে  যোগাযোগের জন্য  নাম্বার, ইমেইল দেওয়া থাকবে। সেখান থেকে আপনার ক্লায়েন্ট আপনার সাথে যোগাযোগ করে কাজ দিতে পারবে। এছাড়া আপনার ওয়েবসাইটে আপনার কাজ সম্পর্কে অন্য ক্লায়েন্টের রিভিউ দেওয়া থাকবে। যেটা দেখলে মানুষের আপনার ওয়েবসাইটের প্রতি একটা বিশ্বাস জন্মাবে। ফলে তারা আপনাকে বারবার কাজ দিবে। 

কিন্তু আপনার যদি কোন ওয়েবসাইট না থাকে  তাহলে মানুষ আপনার কাছে ধরন সম্পর্কে জানতে পারবে না। আর আপনিও ক্লায়েন্টের থেকে কোন কাজ পাবেন না। তাই আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করে থাকেন তাহলে আপনার অবশ্যই একটা পোর্টফোলিও  ওয়েবসাইট থাকতে হবে। বিশেষ করে আপনার যদি আয় করার চিন্তা-ভাবনা থাকে তাহলে আপনার ওয়েবসাইট না থাকলে আপনার কোন লাভ হবে না। 

আরেকটা ভালো কথা হল আপনার ওয়েবসাইটে আপনি আপনার যে কাজ পারেন তার পাশাপাশি অন্য কোন বিজনেসের প্রোডাক্ট সম্পর্কে বলতে পারেন। এতে করে আপনার বিজনেসের অনেক লাভ হবে। তাই আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন তাহলে আজি একটা পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট সাথে সাথে বানিয়ে নিন। যাতে ভবিষ্যতে আপনি এটাকে কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন। 

পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট কিভাবে ক্লায়েন্ট পেতে সাহায্য করে? 

আচ্ছা ধরেন আপনি আপনার বাড়ির কোন কাজ কোন শ্রমিক কে দিয়ে করাতে চান।এখন আপনার বাড়ির আশেপাশে যদি অনেক শ্রমিক থাকে তাহলে আপনি কি তাদের সবাইকে আপনার কাজ দিবেন? আপনি তা নিশ্চয়ই করবেন না। কারণ আপনি আগে দেখবেন কে সে কাজটা বেশি ভালো পারে। যার কাজটা আপনার পছন্দ হবে। এমনকি যার আগের কাজগুলো সম্পর্কে ভালো ধারণা আছে তাদেরকে তো আপনি আপনার কাজের দায়িত্ব দিবেন তাই না? ঠিক একইভাবে এখন মানুষ সঠিক ব্যক্তিকে তার কাজ দিতে চায়। 

এখন কথা হল তারা কিভাবে বুঝবে যে আপনি সেই সঠিক ব্যক্তি। এর একটাই মাধ্যম আছে সেটা হলো আপনার পোর্টফোলিও  ওয়েবসাইট। আপনার পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটে আপনার কাজ যেমন ধরেন আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং এসব কাজ ভালো পারেন। তখন আপনার ওয়েবসাইটে এসব কাজ যদি সাজানো গোছানো থাকে তাহলে ক্লায়েন্ট আপনার আগের কাজের তথ্য ভালোভাবে দেখে আপনাকে সঠিক ব্যক্তি মনে করতে পারে। আরেকটা কথা হল অনেক ফ্রিল্যান্সাররা শুধু ফেসবুক পেজ বা প্রোফাইল খুলে তাদের কাজ চালিয়ে যায়। 

কিন্তু আপনার যদি একটা ওয়েবসাইট থাকে তাহলে ক্লায়েন্ট আপনাকে প্রফেশনাল আর সিরিয়াস বলে মনে করবে। আর আপনার এই ওয়েবসাইট ক্লায়েন্টের মনে আপনার প্রতি আন্তরিকতা ও বিশ্বাস অনুভব করাবে।এছাড়া আপনার ওয়েবসাইট আপনি যদি ২৪ ঘন্টা অ্যাক্টিভ না থাকেন তাহলে সেটা আপনার হয়ে কাজ করে দেবে। আপনাকে সেজন্য রাত জেগে ক্লায়েন্টকে আপনার কাজের ডেমো পাঠাতে হবে না। আপনি যদি ঘুমিয়েও থাকেন তাহলে ক্লায়েন্ট আপনার ওয়েবসাইটে এসে আপনার কাজগুলো দেখে আপনাকে কাজের অফার দিতে পারে। 

আবার অনেক ফ্রিল্যান্সারদের বেশিরভাগই মার্কেটপ্লেস এর কাস্টমার এর উপর ডিপেন্ড করে চলতে হয়। কিন্তু আপনার যদি একটা পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট থাকে। আর সেটার seo ভালোভাবে করা হয়ে থাকে  তাহলে অনেক ক্লায়েন্ট আপনাকে গুগল থেকে সার্চ দিয়ে খুঁজে পেতে পারে। এভাবে আপনি মার্কেটপ্লেসের বাইরে থেকেও ক্লায়েন্ট সহজে খুঁজে পাবেন। 

মোবাইল দিয়ে কি ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বানানোর সম্ভব? 

আপনি যদি মোবাইল ব্যবহার করে থাকেন আর আপনার বাসায় যদি কোন ল্যাপটপ না থাকে তাহলে আপনি মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য একটা পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন। আজকালকার যুগে অনেক কাজে পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বানানোর দরকার পড়ে। কিন্তু কম্পিউটার না থাকার কারণে অনেকে ঠিক মত ওয়েবসাইট বানাতে পারেনা। আবার অনেকে হয়তো টাকা নিয়ে চিন্তা করে কিভাবে কম্পিউটার ছাড়া একটা ওয়েবসাইট বানানো যায়। এখন আমি যদি আপনার এই সমস্ত চিন্তা দূর করে দিই তাহলে আপনি নিশ্চয়ই মোবাইল দিয়ে একটা ওয়েবসাইট দাঁড় করাতে পারবেন। 

এখন মোবাইলে অনেক সহজ টূল আছে। যেগুলো পোর্টফোলিও বানানোর ট্যাম্পলেট দেওয়া আছে। আপনি সেখান থেকে নিজের পছন্দমত ছবি, টেক্সট কাস্টমাইজ করে নিজের ওয়েবসাইট বাড়াতে পারবেন। হ্যাঁ তবে আপনি কম্পিউটার দিয়ে যেরকম জটিল কোন ওয়েবসাইট কোডিং করে করতে পারবেন সেরকম সিস্টেম মোবাইলে নেই। এছাড়া মোবাইলের স্ক্রিন অনেক ছোট থাকায় আপনি ঠিকমতো ডিজাইন কাস্টমাইজ করতে পারবেন না। তাই এই ক্ষেত্রে কম্পিউটার দিয়ে ওয়েবসাইট বানানো অনেক সহজ হয়। 

এছাড়া কম্পিউটারে আপনার পছন্দমত থিম কালার, থিম কাস্টমাইজ শুধু কোডিং বসিয়ে করতে পারেন। যেটার সুযোগ মোবাইলে আপনি পাবেন না। মোবাইলে canva এর মত অ্যাপসে আপনি সুন্দরভাবে নরমাল পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে পারবেন। তাই আপনার কাছে যদি কোন কম্পিউটার বা ল্যাপটপ না থাকে তাহলে আপনি মোবাইল দিয়ে এই টুল দিয়ে সহজে ওয়েবসাইট কাস্টমাইজ করতে পারবেন। এছাড়া এখানে আপনি পছন্দ মত থিমের কালার চুজ করতে পারবেন। 

আপনার ছবি ও ভিডিও আপনি এই পোর্টফোলিও তে দিতে পারবেন মোবাইল ব্যবহার করে। তাই আমি এতটুকুই বলবো আপনি মোবাইল দিয়ে নরমাল পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে পারবেন। তবে প্রফেশনাল মানের ওয়েবসাইট ডিজাইন তৈরি করতে হলে আপনাকে কম্পিউটার ব্যবহার করতে হবে। 

ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট কি ফ্রিতে বানানো যায়?

আপনি ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট ফ্রিতে বানাতে পারবেন। আপনার হাতে যদি টাকা না থাকে তাহলে যেসব ফ্রি সাইট আছে যেমন ব্লগার, ওয়ার্ডপ্রেস এসব সাইটে আপনি ফ্রিতে পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন। আপনার যদি এরকম ওয়েবসাইট বানিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করার ইচ্ছা থাকে তাহলে আপনি এইরকম ফ্রি সাইট গুলো ব্যবহার করতে পারেন। তবে একটা অসুবিধা হলো আপনি যদি ফ্রিতে সবকিছু বানাতে চান তাহলে আপনি কিন্তু আপনার ওয়েবসাইট আপডেট করতে পারবেন না।এছাড়া আপনার নিজস্ব কোন ডোমেন আর হোস্টিং নামও থাকবে না। 

গুগলে আপনার কোন আলাদা ব্র্যান্ড তৈরি হবে না। এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে তাহলে আমার কি জন্য ফ্রি সাইট গুলা ব্যবহার করা দরকার। আপনি ফ্রি সাইট গুলো ব্যবহার করে কাজ করতে পারবেন ঠিকই। তবে পরে আপনি যখন ক্লয়েন্ট পাবেন আর আপনার আয় হবে তখন আপনি নিজের পছন্দ মতো একটা ডোমেইন আর হোস্টিং কিনে নিতে পারবেন। এছাড়া আপনার মোবাইলেও ফ্রিতে পোর্টফোলিও ডিজাইন তৈরির বিভিন্ন সাইট আছে সেখান থেকে আপনি আপনার নিজের জন্য একটা পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন। আপনি কিভাবে ফ্রিতে একটা পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বানাবেন তার কিছু নিয়মাবলী দেওয়া হলঃ

  • প্রথমে আপনাকে ক্যানভা অ্যাপসে  ঢুকতে হবে। নিচের এই ছবির মত ক্যানভাতে আপনাকে যেতে হবে। 
  • তারপর অ্যাপসে ঢোকার পর  canver সার্চবারে লিখবেন portfolio। 
  • তারপর আপনার সামনে অনেকগুলা পোর্টফোলিও  চলে আসবে।আপনি এখান থেকে নিজের পছন্দমত যে কোন একটা টেমপ্লেট  বাছাই করে নিতে পারেন। 
  • তারপর আপনি এখান থেকে আপনার পোর্টফোলিও কাস্টমাইজ করে নিতে পারেন। 
  • আপনি আপনি যদি চান এই লেখাগুলো চেঞ্জ করে আপনি যে লেখা দিতে চান সেটা দিতে পারেন। তার জন্য আপনাকে এই লেখার উপরে ক্লিক করতে হবে। তারপর আপনার সামনেই এডিট নামে একটা অপশন আসবে। আপনি এডিটে চাপ দিয়ে লেখা চেঞ্জ করতে পারবেন। 
  • এভাবে আপনি প্রত্যেকটা সেক্টরে পছন্দমত কাস্টমাইজ করে নিতে পারবেন। 
  • এই লেখাটা আপনার পছন্দ না হলে আপনি আপনার নিজের সম্পর্কে, নিজের কাজ সম্পর্কে এখানে লিখতে পারবেন এডিট অপশনে চাপ দিয়ে। 
  • আপনি চাইলে এই ছবি চেঞ্জ করে আপনার নিজের ছবি দিতে পারেন। 
  • ছবি চেঞ্জ করতে চাইলে আপনাকে ছবির উপরে ক্লিক করতে হবে। তারপর আপনার সামনে replace নামের অপশন আসবে। এখান থেকে আপনি আপনার ছবি চেঞ্জ করতে পারবেন। 
  • তারপর সব শেষ  হয়ে গেলে সেভ বাটনে ক্লিক করলে আপনার পোর্টফোলিও সেভ হয়ে যাবে। 

একটি প্রফেশনাল পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করতে কত খরচ পড়বে? 

আপনি যদি একদম প্রফেশনাল মানের পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাহলে আপনাকে টাকা খরচ করতে হবে। এখন আপনি যদি নতুন হন তাহলে আমি বলব আপনি টাকা খরচ না করে ফ্রিতে শুরু করেন। এই ওয়েবসাইট তৈরি করার যে ফ্রি সাইট আছে সেগুলা দিয়ে শুরু করতে পারেন। কিন্তু আপনি যদি চান আপনার পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট একটু আকর্ষণীয় আর প্রফেশনালভাবে তৈরি করতে তাহলে আপনাকে ওয়েবসাইট বানাতে  ডোমেইন আর  হোস্টিং কিনতে হবে। এখন আপনি বলবেন ডোমেইন আর হোস্টিং কি? 

তাহলে শুনুন ডোমেইন হলো আপনার ওয়েবসাইটের নাম। যেমন yourname. Com আর হোস্টিং হলো যেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের বিভিন্ন ফাইল রাখতে পারবেন। এখন আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে কত খরচ পড়বে এটা নির্ভর করে আপনি কি আপনার ওয়েবসাইট নিজে থেকে বানাবেন নাকি অন্য কাউকে দিয়ে করাবেন। আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইট নিজে বানাতে চান তাহলে আপনাকে ডোমেইন আর হোস্টিং কিনলেই হবে শুধু। আপনি ডোমেইন আর হোস্টিং কিনলে বছরে ৩০০০ থেকে ৮ ০০০টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে।

আর আপনি যদি নিজে ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে না পারেন তাহলে একজন ফ্রিল্যান্সার দিয়ে আপনার ওয়েবসাইট ডিজাইন করালে খরচ আরো বাড়বে। সে ক্ষেত্রে আপনাকে ডোমেইন আর হোস্টিং এর  খরচের পাশাপাশি ওয়েব ডিজাইনের ও খরচ দিতে হবে। আপনার ওয়েবসাইট ডিজাইন করলে খরচ হবে আট হাজার থেকে পনেরো হাজার টাকা।আর সবমিলিয়ে ১৫০০০০- ৩০০০০টাকা খরচ হবে। আর আপনি যদি বিদেশি  ফ্রিল্যান্সারদের  দিয়ে ওয়েবসাইট বানাতে চান তাহলে আপনাকে আরও টাকা খরচ করতে হবে। 

সেক্ষেত্রে আপনার খরচ ১০০ থেকে ২০০ ডলার পর্যন্ত পড়তে পারে। মোট কথায় আপনার ডিজাইন যত প্রফেশনাল মানের হবে  তত আপনার খরচ বাড়তে থাকবে। তবে আপনি যদি নতুন হন তাহলে আপনাকে এত ঝামেলা করার দরকার নাই। আপনি ফ্রি কিছু টুল ব্যবহার  করে নিজের মত ওয়েবসাইট ডিজাইন করে কাজ শুরু করতে পারেন। আর আপনি যদি খরচ করে ওয়েবসাইট কিনতে চান সে ক্ষেত্রে আপনার ভিসা কার্ড বা পেওনার দিয়ে ওয়েবসাইট কিনতে হবে। ওয়েবসাইট বানানোর আগে আপনাকে নিজের প্রয়োজন ও বাজেট অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে আগে থেকে। এতে করে আপনার জন্য ভালো হবে। 

নতুনদের জন্য একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরির গাইড লাইন 

আপনি যদি ওয়েবসাইট তৈরি করার ক্ষেত্রে একেবারে নতুন হন তাহলে আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য প্রফেশনাল পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরির নিয়ম সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে।কারণ আপনি যদি কোন পরিকল্পনা ছাড়া ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাহলে আপনি সাগরের মাঝপথে হারিয়ে যাবেন।তাই আপনাকে আগে থেকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনি কি ফ্রি ওয়েবসাইট বানাতে চান না।ডোমেইন হোস্টিং কিনে নিজের একটা ব্রান্ড ওয়েবসাইট বানাতে চান। যদি তা হয় তাহলে আপনার সমর্থ্য অনুযায়ী এই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এছাড়া আপনি কি নিয়ে কাজ করতে চান সেটা আগে ঠিক করতে হবে।

ধরেন আপনার যদি ফটোগ্রাফি নিয়ে ভালো লাগে তাহলে আপনি আপনার ফটোগ্রাফি সম্পর্কে আপনার অভিজ্ঞতা কেমন সেটা আপনার পোর্টফোলিও তে তুলে ধরবেন। কারণ ক্লাইন্ট আপনার কাছে প্রথমে জানতে চাইবে আপনি কি কাজ পারেন ভালো করে। তাই যে কাজ পারেন না সে কাজের পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটে  করতে যাবেন না। আরেকটি কথা হলো আপনি যদি নতুন হোন তাহলে আপনাকে অযথা টাকা খরচ করে ওয়েবসাইট বানানোর দরকার নাই। আপনি নতুন অবস্থায় যেগুলো ফ্রিতে ব্যবহার করা যায় সেসব সাইট ব্যবহার করে ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন। 

শেষ কথাঃফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য প্রফেশনাল পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরির নিয়ম। 

এতক্ষণে ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য প্রফেশনাল পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরির নিয়ম পড়ে আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন কিভাবে আপনি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করবেন।পাশাপাশি আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন তাহলে আপনার কি করা উচিত।এছাড়া আপনার ঘরে যদি ল্যাপটপ না থাকে আপনার মোবাইল দিয়ে কিভাবে ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন। এসব দিকনির্দেশনা আপনি এই পোস্ট পড়ে জানতে পারবেন। আমাদের পোস্টে পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে এরকম আরো পোস্ট সম্পর্কে জানতে চাইলে আপনি মন্তব্য বক্সে আপনার মতামত জানিয়ে দিবেন।আসসালামু আলাইকুম। 260311





এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url