OrdinaryITPostAd

পাঠাও অ্যাপে পার্সেল ডেলিভারি রিকোয়েস্ট দেওয়ার সহজ নিয়ম

পাঠাও অ্যাপে পার্সেল ডেলিভারি রিকোয়েস্ট দেওয়ার সহজ নিয়ম জানলে কয়েক ট্যাপেই বুকিং কনফার্ম লাইভ ট্র্যাকিং, সঠিক চার্জ আর দ্রুত পিকআপ নিশ্চিন্তে। বারবার ডেলিভারিতে দেরি হচ্ছে? ঠিকভাবে রিকোয়েস্ট না দিলে পিকআপ মিস, কাস্টমারের ঝামেলা সবই একসাথে বাড়ে।
পাঠাও-অ্যাপে-পার্সেল-ডেলিভারি-রিকোয়েস্ট-দেওয়ার-সহজ-নিয়ম
আমি আপনাদের আজকের এই লেখায় ধাপে ধাপে দেখিয়ে দিব কীভাবে খুব সহজে সব করবেন। আমার নিজের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, একবার বুঝে গেলে পরের বার আর কোনো সমস্যা হয় না। চলুন শুরু করি।

পেজ সূচিপত্রঃ পাঠাও অ্যাপে পার্সেল ডেলিভারি রিকোয়েস্ট দেওয়ার সহজ নিয়ম

পাঠাও অ্যাপে পার্সেল ডেলিভারি রিকোয়েস্ট দেওয়ার সহজ নিয়ম

পাঠাও অ্যাপে পার্সেল ডেলিভারি রিকোয়েস্ট দেওয়ার সহজ নিয়ম আসলে এতটাই সোজা যে প্রথমবার চেষ্টা করলেও আপনি মিনিটখানেকের মধ্যে সব সেরে ফেলতে পারবেন। আমি নিজে যখন প্রথমবার ডকুমেন্ট পাঠাতে গিয়েছিলাম তখন একটু টেনশনে ছিলাম, কিন্তু অ্যাপ খুলে দেখলাম সবকিছু এত স্পষ্টভাবে সাজানো যে কোনো গাইড ছাড়াই কাজ হয়ে গেল। আপনি যদি বাসায় বসে জরুরি কোনো পার্সেল, গিফট বা ছোট প্যাকেট পাঠাতে চান, তাহলে ট্রাফিকের ঝামেলা এড়িয়ে এই অ্যাপটা আপনার সবচেয়ে ভালো বন্ধু হয়ে উঠবে। 

শুধু মনে রাখবেন, প্রত্যেক স্টেপে ছোট ছোট তথ্য সঠিকভাবে দিলে রাইডার খুব সহজে আপনার দরজায় চলে আসবে। এখন কথা হলো, অ্যাপটা খুললেই আপনি হোম স্ক্রিনে বিভিন্ন অপশন দেখবেন। পার্সেল আইকনটা সাধারণত মাঝখানে বা উপরের দিকে থাকে, যেটা দেখতে একটা বাক্সের মতো। সেটাতে ট্যাপ করার পরই আপনাকে ইনস্ট্যান্ট ডেলিভারি বা কুরিয়ারের মধ্যে চয়েস করতে হবে। 
পাঠাও-অ্যাপে-পার্সেল-ডেলিভারি-রিকোয়েস্ট-দেওয়ার-সহজ-নিয়ম
আমি সবসময় ইনস্ট্যান্ট বেছে নিই কারণ এতে সময় কম লাগে এবং ঢাকা শহরের ভিতরে খুব দ্রুত পৌঁছে যায়। যদি আপনার পার্সেলটা একটু বড় হয় তাহলে কুরিয়ার অপশনটা দেখে নিতে পারেন, কিন্তু সাধারণ ক্ষেত্রে ইনস্ট্যান্টই যথেষ্ট। তারপর আসে লোকেশন সেট করার পালা। ম্যাপটা অটোমেটিক আপনার বর্তমান জায়গা পিকআপ পয়েন্ট হিসেবে ধরে নেবে, কিন্তু যদি অন্য কোথাও থেকে পাঠান তাহলে সার্চ করে সেট করে দিন। একইভাবে ড্রপ অফ লোকেশন দিতে হবে রিসিভারের ঠিকানা। আমি বলি, ঠিকানার সাথে ল্যান্ডমার্ক যোগ করে দিলে রাইডার আরও সহজে খুঁজে পায়।
পাঠাও-অ্যাপে-পার্সেল-ডেলিভারি-রিকোয়েস্ট-দেওয়ার-সহজ-নিয়ম
এখানে একটা ছোট টিপস দেই পার্সেলের ওজন আর ধরন সঠিকভাবে সিলেক্ট করুন, না হলে পরে সমস্যা হতে পারে। রিসিভারের তথ্য দেয়ার সময় নাম, ফোন নম্বর আর কোনো বিশেষ নোট লিখে দিন। আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, ফোন নম্বরটা যদি সঠিক থাকে তাহলে রাইডার সরাসরি কল করে নিতে পারে যদি কোনো কনফিউশন হয়।
পাঠাও-অ্যাপে-পার্সেল-ডেলিভারি-রিকোয়েস্ট-দেওয়ার-সহজ-নিয়ম
এরপর পেমেন্টের অপশন আসবে। আপনি নিজে পেমেন্ট করবেন নাকি রিসিভার করবে সেটা বেছে নিন। আমি সাধারণত আগে থেকে পেমেন্ট করে দেই যাতে কোনো ঝামেলা না হয়। শেষ ধাপে সবকিছু একবার চেক করে "Send Request" বাটনে ট্যাপ করুন। কয়েক মিনিটের মধ্যে কাছাকাছি রাইডার অ্যাকসেপ্ট করে নেবে এবং আপনি লাইভ ট্র্যাক করতে পারবেন। 
পাঠাও-অ্যাপে-পার্সেল-ডেলিভারি-রিকোয়েস্ট-দেওয়ার-সহজ-নিয়ম
সত্যি বলতে কি, এই পুরো প্রক্রিয়াটা এতটাই ইউজার ফ্রেন্ডলি যে একবার করে দেখলে পরের বার আর কোনো হেল্প লাগবে না। আপনি যদি এখনো চেষ্টা না করে থাকেন তাহলে আজই একটা ছোট পার্সেল পাঠিয়ে দেখুন, দেখবেন কত সহজে সব হয়ে গেছে।

অ্যাপ ডাউনলোড করে অ্যাকাউন্ট রেডি করার টিপস

অ্যাপ ডাউনলোড করে অ্যাকাউন্ট রেডি করার টিপসটা আসলে খুবই সহজ, কিন্তু প্রথমবার যারা করেন তারা প্রায়ই ছোট ছোট ভুল করে ফেলেন। আমি যখন প্রথম পাঠাও অ্যাপটা ব্যবহার শুরু করেছিলাম তখন প্লে স্টোর থেকে সার্চ করে সবচেয়ে উপরের অফিসিয়াল অ্যাপটাই ডাউনলোড করেছিলাম। আপনি যদি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করেন তাহলে গুগল প্লে স্টোরে "Pathao" লিখে সার্চ করুন, আর আইফোন হলে অ্যাপ স্টোরে। সবসময় লক্ষ্য রাখবেন যেন অ্যাপের নামের পাশে অফিসিয়াল ডেভেলপারের নাম থাকে, কারণ নকল অ্যাপ থেকে অনেক সময় সমস্যা হয়। 

ডাউনলোড শেষ হলে ইনস্টল করে খুললেই দেখবেন একটা সুন্দর ইন্টারফেস চলে এসেছে। আমার অভিজ্ঞতায় বলি, ইন্টারনেট স্পিড ভালো থাকলে পুরো প্রক্রিয়াটা মিনিট দুইয়ের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। অ্যাপ খুললেই আপনাকে ফোন নম্বর দিয়ে লগইন বা সাইন আপ করতে হবে। আমি সাধারণত যে নম্বরটা দৈনন্দিন ব্যবহার করি সেটাই দিই, কারণ পরে ভেরিফিকেশন কোড আসে। কোডটা টাইপ করার পর অ্যাকাউন্টটা তৈরি হয়ে যায়। 
যদি আপনার আগে থেকে অ্যাকাউন্ট থেকে থাকে তাহলে সরাসরি লগইন হয়ে যাবে, আর নতুন হলে একটা সিম্পল ফর্ম পূরণ করতে হবে। এখানে নাম, ইমেইল (অপশনাল) আর কয়েকটা বেসিক তথ্য চাইবে। আমি বলি, সব তথ্য সঠিকভাবে দিন কারণ পরে পার্সেল ডেলিভারির সময় এগুলো কাজে লাগে। একবার সেটআপ হয়ে গেলে পরের বার আর এতকিছু করতে হয় না, শুধু পাসওয়ার্ড বা ওটিপি দিলেই চলে। প্রোফাইল সেটআপ করার সময় ছবি যোগ করা, ঠিকানা সেভ করা আর কয়েকটা প্রেফারেন্স সিলেক্ট করতে পারেন। 

আমার কাছে মনে হয় এই অংশটা খুব গুরুত্বপূর্ণ কারণ পরে যখন পার্সেল পাঠাবেন তখন অটোমেটিক আপনার সেভ করা ঠিকানা দেখাবে, সময় বাঁচবে। যদি আপনি মাল্টিপল লোকেশন থেকে পাঠান তাহলে দুই-তিনটা ঠিকানা আগে থেকে অ্যাড করে রাখুন। এছাড়া নোটিফিকেশন অন করে রাখুন যাতে রাইডারের আপডেট সাথে সাথে পান। আমি নিজে এই টিপসটা ফলো করে দেখেছি যে পরবর্তীতে কাজ অনেক স্মুথ হয়। শেষ ধাপে পেমেন্ট মেথড যোগ করাটা খুব জরুরি। বিকাশ, নগদ, কার্ড বা ওয়ালেট যেটা আপনার সুবিধা সেটা অ্যাড করুন। 

আমি সবসময় দুইটা মেথড রেডি রাখি যাতে কোনো একটা সমস্যা হলে অন্যটা ব্যবহার করতে পারি। পেমেন্ট অ্যাড করার পর একবার টেস্ট করে দেখুন যে টাকা কাটছে কি না। আর হ্যাঁ, অ্যাপটা সবসময় আপডেটেড রাখুন কারণ নতুন ভার্সনে অনেক বাগ ফিক্স আর নতুন ফিচার আসে। এভাবে পুরো অ্যাকাউন্ট রেডি করলে পরে পাঠাও অ্যাপে পার্সেল ডেলিভারি রিকোয়েস্ট দেওয়ার সময় আর কোনো ঝামেলা হবে না। আপনি যদি এই টিপসগুলো ফলো করেন তাহলে দেখবেন একদম নতুন ব্যবহারকারী হওয়া সত্ত্বেও সবকিছু খুব সহজ লাগবে।

হোমপেজ থেকে পার্সেল অপশন বের করা সহজ উপায়

পাঠাও অ্যাপ খুললেই যে স্ক্রিনটা সামনে চলে আসে সেটাই হোমপেজ। এখানে একদম উপর থেকে নিচ পর্যন্ত বিভিন্ন সার্ভিসের আইকন সাজানো থাকে রাইড, ফুড, শপিং, কুরিয়ার সবকিছু। প্রথমবার যারা অ্যাপ ব্যবহার করেন তারা প্রায়ই একটু হতভম্ব হয়ে যান কারণ অপশনগুলো একটু বেশিই দেখায়। আমি নিজে যখন প্রথমবার খুলেছিলাম তখন প্রায় দু-তিন মিনিট স্ক্রল করে খুঁজেছি। আসলে অ্যাপটা ডিজাইন করা হয়েছে এমনভাবে যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সার্ভিসগুলো সামনের দিকে থাকে। 

তাই একটু মনোযোগ দিয়ে দেখলেই পার্সেলের আইকনটা চোখে পড়ে যায়। যদি আপনার অ্যাপের ভার্সন একটু পুরনো হয় তাহলে আইকনগুলোর অ্যারেঞ্জমেন্ট একটু আলাদা হতে পারে, সেক্ষেত্রে অ্যাপ আপডেট করে নিলে অনেক সহজ হয়। পার্সেল অপশনটা সাধারণত হোমপেজের মাঝামাঝি বা একদম নিচের দিকে থাকে। আইকনটা দেখতে একটা ছোট্ট প্যাকেট বা বাক্সের মতো, উপরে স্পষ্ট করে 'Parcel' বা ‘পার্সেল’ লেখা। আপনি চাইলে স্ক্রিনে হালকা করে স্ক্রল করেই পেয়ে যাবেন।
পাঠাও-অ্যাপে-পার্সেল-ডেলিভারি-রিকোয়েস্ট-দেওয়ার-সহজ-নিয়ম
যদি একদম সরাসরি না দেখতে পান তাহলে উপরের সার্চ বারে 'পার্সেল' বা 'Parcel Delivery' লিখে সার্চ করে দেখুন তাৎক্ষণিক চলে আসবে। আমার অভিজ্ঞতায় এই দুইটা পদ্ধতিই সবচেয়ে দ্রুত কাজ করে। আরেকটা ছোট টিপস দেই, যদি আপনি ঢাকায় থাকেন তাহলে হোমপেজে ইনস্ট্যান্ট ডেলিভারি আর পার্সেল দুটোই পাশাপাশি দেখতে পাবেন, তাই কনফিউশন হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। যদি কোনো কারণে হোমপেজে সহজে খুঁজে না পান তাহলে নিচের মেনু বারে 'More' অপশনে ক্লিক করে দেখুন।

সেখান থেকেও পার্সেল সার্ভিসটা বের করা যায়। পাঠাও অ্যাপে পার্সেল ডেলিভারি রিকোয়েস্ট দেওয়ার সহজ নিয়ম অনুসরণ করলে এই ধাপটা খুব সহজেই পার হয়ে যায়। এরপর আপনি সরাসরি পিকআপ আর ড্রপ অফ লোকেশন সেট করার স্ক্রিনে চলে যাবেন। পুরো প্রক্রিয়াটা এতটাই স্মুথ যে একবার বুঝে গেলে পরের বার আর কোনো সমস্যা হয় না। আমি বলি, এই ছোট ছোট ধাপগুলো সঠিকভাবে ফলো করলে আপনার পার্সেল পাঠানোর অভিজ্ঞতা একদম ঝামেলামুক্ত হয়ে যাবে।

ইনস্ট্যান্ট ডেলিভারি সিলেক্ট করে শুরু করুন

পার্সেল অপশনটা বের করার পরই আপনার সামনে একটা নতুন স্ক্রিন চলে আসবে যেখানে বিভিন্ন ডেলিভারি টাইপ দেখাবে। এখান থেকেই আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে ইনস্ট্যান্ট ডেলিভারি। আমি নিজে যখন প্রথমবার এই অপশনটা দেখি তখন একটু ভেবেছিলাম যে এটা আসলে কতটা দ্রুত কাজ করে। আসলে ইনস্ট্যান্ট মানে হলো আপনার পার্সেলটা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পৌঁছে যাবে, বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম বা সিলেটের মতো বড় শহরের ভিতরে। 

আপনি যদি জরুরি কোনো ডকুমেন্ট, গিফট বা ছোট প্যাকেট পাঠাতে চান তাহলে এই অপশনটা সবচেয়ে ভালো। স্ক্রিনে ইনস্ট্যান্ট ডেলিভারির আইকনটা সাধারণত উজ্জ্বল রঙে থাকে যাতে সহজেই চোখে পড়ে। আমার অভিজ্ঞতায় বলি, ইনস্ট্যান্ট ডেলিভারি সিলেক্ট করার পর অ্যাপটা আপনাকে অটোমেটিক পিকআপ আর ড্রপ অফ লোকেশন সেট করার জন্য নিয়ে যায়। এখানে আপনি দেখবেন যে সময়ের একটা এস্টিমেটও দেখাচ্ছে সাধারণত ৩০ মিনিট থেকে দেড় ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে যায়।
পাঠাও-অ্যাপে-পার্সেল-ডেলিভারি-রিকোয়েস্ট-দেওয়ার-সহজ-নিয়ম
যদি আপনার পার্সেলটা খুব জরুরি না হয় বা অন্য শহরে যায় তাহলে স্কেডিউলড ডেলিভারি বা কুরিয়ার অপশনও আছে, কিন্তু ইনস্ট্যান্টই সবচেয়ে স্পিডি। আমি সবসময় এটাই বেছে নিই কারণ রাইডাররা কাছাকাছি থেকে অ্যাকসেপ্ট করে এবং ট্র্যাফিক এড়িয়ে দ্রুত চলে আসে। তবে মনে রাখবেন, পার্সেলের ওজন ৩ কেজির নিচে রাখলে সবচেয়ে ভালো হয়, না হলে অ্যাপটা আপনাকে অন্য অপশন সাজেস্ট করতে পারে। এই ধাপটা সিলেক্ট করার পর পুরো প্রক্রিয়াটা অনেক সহজ হয়ে যায় কারণ বাকি সব স্টেপ একদম সোজা। 

আমি বলি, যদি আপনি প্রথমবার করেন তাহলে একবার ইনস্ট্যান্ট ডেলিভারি চয়েস করে দেখুন, দেখবেন কতটা স্মুথ লাগে। এরপর আপনি রিসিভারের তথ্য, পেমেন্ট আর অন্যান্য ডিটেইলস পূরণ করবেন। পাঠাও অ্যাপে পার্সেল ডেলিভারি রিকোয়েস্ট দেওয়ার সহজ নিয়ম অনুসরণ করলে এই অংশটা আপনার কাছে একদম ঝামেলামুক্ত মনে হবে। শেষ কথা, সঠিক সময়ে সিলেক্ট করলে রাইডার খুব তাড়াতাড়ি আসবে এবং আপনার কাজও দ্রুত শেষ হয়ে যাবে।

পিকআপ আর ড্রপ অফ লোকেশন ম্যাপে সেট করা

ইনস্ট্যান্ট ডেলিভারি সিলেক্ট করার পর অ্যাপটা সাথে সাথে ম্যাপ স্ক্রিনে নিয়ে যায়। এখানে আপনি দেখবেন যে পিকআপ লোকেশনটা অটোমেটিক আপনার বর্তমান অবস্থান অনুযায়ী সেট হয়ে গেছে। আমি নিজে যখন প্রথমবার করেছিলাম তখন এই অটো ফিচারটা দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। তবে যদি আপনি অন্য কোনো জায়গা থেকে পার্সেল পাঠাতে চান তাহলে ম্যাপে পিন ঘুরিয়ে বা সার্চ বারে ঠিকানা লিখে ম্যানুয়ালি চেঞ্জ করতে পারবেন। এই ম্যাপটা খুবই স্পষ্ট এবং জুম করে দেখা যায়, তাই ছোট ছোট গলি বা বাড়ির নম্বরও সহজে মার্ক করা যায়। 

পিকআপ লোকেশন সেট করার সময় আমি সবসময় একটা ছোট টিপস ফলো করি ল্যান্ডমার্ক যোগ করে দেই। যেমন, "আবাসিক এলাকার সামনে বড় মসজিদের পাশে" বা "রাস্তার মোড়ে সবুজ দোকানের সামনে"। এতে রাইডার খুব সহজে খুঁজে পায় এবং সময় বাঁচে। যদি আপনার বাসায় লিফট না থাকে বা রাস্তা সরু হয় তাহলে সেটাও নোট হিসেবে লিখে দিন। অ্যাপটা আপনাকে পিকআপ টাইমও সিলেক্ট করতে দেয়, তাই এখানে একটু মনোযোগ দিয়ে সবকিছু পূরণ করুন।
পাঠাও-অ্যাপে-পার্সেল-ডেলিভারি-রিকোয়েস্ট-দেওয়ার-সহজ-নিয়ম
আমার অভিজ্ঞতায় এই ছোট ছোট ডিটেইলসই পরে অনেক বড় পার্থক্য তৈরি করে। এরপর আসে ড্রপ অফ লোকেশন সেট করার পালা। এখানে রিসিভারের পুরো ঠিকানা সার্চ করে দিতে হয়। ম্যাপটা আবার খুলবে এবং আপনি পিন ড্রপ করে বা টেক্সটে লিখে সেট করতে পারবেন। আমি বলি, যত স্পষ্ট করে লিখবেন তত ভালো। উদাহরণস্বরূপ, শুধু "মিরপুর ১০" না লিখে "মিরপুর ১০, রোড নম্বর ৪, ব্লক সি, বাড়ি নম্বর ২৩" লিখুন। রিসিভারের ফোন নম্বরটা এখানে আবার কনফার্ম করুন যাতে রাইডার প্রয়োজনে কল করতে পারে। 

এই ধাপটা ঠিকমতো না হলে পরে অনেক সময় নষ্ট হয়, তাই আমি দুবার চেক করে নিই। শেষে পিকআপ আর ড্রপ অফ দুটো লোকেশনই একবার দেখে নিন যে সব ঠিক আছে কি না। ম্যাপে দুটো পয়েন্টের দূরত্ব দেখিয়ে অ্যাপটা আপনাকে এস্টিমেটেড সময় আর চার্জও দেখাবে। যদি কোনো ভুল হয় তাহলে ব্যাক করে আবার এডিট করা যায়। 
আমি নিজে এই স্টেপটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করি কারণ ঠিকানা ভুল হলে পুরো ডেলিভারিই আটকে যায়। একবার সব সেট হয়ে গেলে পরের ধাপগুলো অনেক সহজ হয়ে যায়। আপনি যদি এইভাবে ম্যাপে লোকেশন সেট করেন তাহলে দেখবেন রাইডার খুব দ্রুত এসে আপনার পার্সেল নিয়ে চলে যাবে।

রিসিভারের নাম-ফোন নম্বর দিয়ে পূরণ করুন

লোকেশন সেট করার পর অ্যাপটা আপনাকে সরাসরি রিসিভারের তথ্য পূরণ করার স্ক্রিনে নিয়ে যায়। এই অংশটা আসলে খুব গুরুত্বপূর্ণ কারণ পুরো ডেলিভারি সফল হবে কি না তা অনেকটা এখানকার তথ্যের উপর নির্ভর করে। আমি নিজে যখন প্রথমবার করেছিলাম তখন শুধু নাম আর ফোন নম্বর দিয়েই শেষ করেছিলাম, কিন্তু পরে বুঝেছি যে আরও কিছু ছোট ছোট ডিটেইল যোগ করলে রাইডারের কাজ অনেক সহজ হয়। আপনি যদি রিসিভারকে চেনেন তাহলে তার পুরো নামটা সঠিকভাবে লিখুন, আর ফোন নম্বরটা দুবার চেক করে দিন কারণ কোনো ভুল হলে রাইডার সরাসরি কল করতে পারবে না।

এখানে শুধু নাম আর ফোন নম্বরই নয়, অ্যাপটা আপনাকে পার্সেলের ধরন সিলেক্ট করতে বলবে ডকুমেন্ট, গিফট, পার্সোনাল আইটেম, বা অন্য কিছু। আমি সবসময় সঠিক ক্যাটাগরি বেছে নিই কারণ এতে রাইডার আগে থেকেই জানতে পারে কী ধরনের জিনিস নিতে যাচ্ছে। যদি পার্সেলে কোনো বিশেষ নির্দেশনা থাকে, যেমন "ফ্রেজাইল", "উপরে রাখবেন" বা "বৃষ্টি থেকে বাঁচিয়ে রাখবেন" তাহলে নোট বক্সে স্পষ্ট করে লিখে দিন। 

আমার অভিজ্ঞতায় এই ছোট নোটগুলো অনেক সময় বড় সমস্যা এড়িয়ে দেয়। ফোন নম্বরটা যদি বাংলাদেশি হয় তাহলে +৮৮০ দিয়ে শুরু করুন বা শুধু ০১ দিয়ে লিখুন, অ্যাপটা অটো ফরম্যাট করে নেবে। শেষে সব তথ্য একবার দেখে নিন যাতে কোনো টাইপো না থাকে। আমি বলি, এই ধাপটা ঠিকমতো করলে পরের স্টেপগুলো অনেক স্মুথ হয়ে যায়। 

রিসিভার যদি বাসায় না থাকে তাহলে অল্টারনেটিভ নম্বরও যোগ করতে পারেন। একবার সব পূরণ হয়ে গেলে অ্যাপটা আপনাকে কনফার্মেশন দেখাবে এবং আপনি পরের ধাপে চলে যেতে পারবেন। এভাবে রিসিভারের নাম ফোন নম্বর দিয়ে পূরণ করলে পুরো পার্সেল ডেলিভারি প্রক্রিয়াটা একদম ঝামেলামুক্ত হয়ে যায়।

পেমেন্ট মেথড আর কে পেমেন্ট করবে তা বেছে নেওয়া

রিসিভারের নাম-ফোন নম্বর পূরণ করার পর অ্যাপটা সরাসরি পেমেন্ট সেকশনে নিয়ে যায়। এখানে দুটো মূল জিনিস সিলেক্ট করতে হয় একটা হলো কোন পেমেন্ট মেথড ব্যবহার করবেন, আরেকটা হলো কে টাকা দেবে। আমি নিজে প্রথমবার এই স্ক্রিন দেখে একটু থমকে গিয়েছিলাম কারণ অপশনগুলো দেখতে একটু জটিল লাগে, কিন্তু আসলে খুব সোজা। অ্যাপটা আপনাকে অটোমেটিক আপনার সেভ করা পেমেন্ট মেথডগুলো দেখায়, তাই আগে থেকে বিকাশ বা নগদ লিঙ্ক করে রাখলে একদম ঝামেলা কম হয়। 

কে পেমেন্ট করবে সেটা বেছে নেওয়ার সময় তিনটা অপশন থাকে আপনি নিজে, রিসিভার, নাকি ক্যাশ অন ডেলিভারি। আমার অভিজ্ঞতায় বলি, যদি রিসিভার কাছের কেউ হয় বা আপনি চান যে সে টাকাটা দিক তাহলে রিসিভার পে অপশনটা ভালো কাজ করে। কিন্তু জরুরি পার্সেল হলে আমি নিজে পেমেন্ট করে দিই, কারণ তাহলে রাইডার দ্রুত অ্যাকসেপ্ট করে এবং কোনো কনফিউশন হয় না। 
পাঠাও-অ্যাপে-পার্সেল-ডেলিভারি-রিকোয়েস্ট-দেওয়ার-সহজ-নিয়ম
এই চয়েসটা ঠিক করার সময় একবার ভেবে দেখুন যে রিসিভারের সাথে আপনার কতটা সম্পর্ক, না হলে পরে ছোটখাটো ঝামেলা হতে পারে। পেমেন্ট মেথডগুলোর মধ্যে বিকাশ, নগদ, ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড আর পাঠাও ওয়ালেট আছে। আমি সবসময় দুইটা মেথড রেডি রাখি যাতে একটা না কাজ করলে অন্যটা ব্যবহার করতে পারি। যদি আপনার অ্যাকাউন্টে এখনো কোনো মেথড অ্যাড না করা হয় তাহলে এখান থেকেই সহজেই অ্যাড করা যায়, শুধু কয়েকটা স্টেপ ফলো করলেই হয়। 

এতে পরে সময় বাঁচে এবং ডেলিভারি প্রক্রিয়াটা আরও স্মুথ হয়। এই সব অপশন সিলেক্ট করার পর একবার পুরোটা রিভিউ করে নিন। কোনো ভুল হলে ব্যাক করে ঠিক করে নেওয়া যায়। আমি বলি, এই ধাপটা ঠিকমতো করলে পুরো ডেলিভারি অনেক নিশ্চিন্ত হয়। এটিও পাঠাও অ্যাপে পার্সেল ডেলিভারি রিকোয়েস্ট দেওয়ার সহজ নিয়ম এর মধ্যে একটি।

সেন্ড রিকোয়েস্ট করে রাইডারের অপেক্ষা করুন

সব তথ্য পূরণ করে পেমেন্ট অপশন সিলেক্ট করার পর সবচেয়ে উত্তেজনাকর মুহূর্তটা আসে "Send Request" বাটনে ট্যাপ করা। আমি নিজে প্রথমবার যখন এই বাটনটা চাপি তখন একটু টেনশন হয়েছিল, কারণ মনে হয়েছিল এখন থেকে সবকিছু রাইডারের হাতে। কিন্তু আসলে অ্যাপটা খুব দ্রুত কাজ করে। ট্যাপ করার সাথে সাথে আপনি একটা কনফার্মেশন মেসেজ দেখতে পাবেন এবং অ্যাপটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাছাকাছি রাইডারদের কাছে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে দেবে। 

আমার অভিজ্ঞতায় বলি, ঢাকার মতো ব্যস্ত শহরে সাধারণত ৩০ সেকেন্ড থেকে দুই মিনিটের মধ্যেই কেউ না কেউ অ্যাকসেপ্ট করে নেয়। রিকোয়েস্ট সেন্ড হওয়ার পর অ্যাপটা আপনাকে লাইভ স্ট্যাটাস দেখাতে শুরু করে। আপনি দেখতে পাবেন "Finding Rider" লেখা, তারপর হঠাৎ করে একজন রাইডারের নাম, ছবি, বাইকের নম্বর আর রেটিং চলে আসবে। এই সময়টা আমি সাধারণত অ্যাপটা খোলা রেখে অপেক্ষা করি কারণ নোটিফিকেশন আসার সাথে সাথে জানতে পারি।
পাঠাও-অ্যাপে-পার্সেল-ডেলিভারি-রিকোয়েস্ট-দেওয়ার-সহজ-নিয়ম
যদি আপনার পার্সেলটা খুব জরুরি হয় তাহলে এই অপেক্ষার সময়টুকুতে একবার পার্সেলটা রেডি করে রাখুন, যাতে রাইডার এলে আর দেরি না হয়। আমি বলি, এই ধাপটা সবচেয়ে মজার কারণ আপনি দেখতে পান কে আসছে আর কতক্ষণ লাগবে। রাইডার অ্যাকসেপ্ট করার পর অ্যাপে লাইভ ম্যাপ চালু হয়ে যায়। আপনি দেখতে পাবেন রাইডার কোথায় আছে, কোন রাস্তা দিয়ে আসছে এবং আপনার লোকেশনে পৌঁছাতে আর কত মিনিট লাগবে। 

আমার অভিজ্ঞতায় এই ট্র্যাকিং ফিচারটা খুবই সহায়ক, বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে বা ট্রাফিক জ্যামের সময়। যদি কোনো কারণে রাইডার দেরি করে তাহলে অ্যাপ থেকেই মেসেজ পাঠিয়ে জানিয়ে দিতে পারবেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ ভালো থাকে এবং কোনো ভুল বোঝাবুঝি হয় না। অপেক্ষা করার সময় আমি সাধারণত পার্সেলের সাইজ আর ওজন আরেকবার চেক করে নিই। 
কখনো কখনো রাইডার এসে ফোন করে কনফার্ম করে নেয়, তাই ফোনটা হাতের কাছে রাখা ভালো। যদি আপনি বাসায় একা না থাকেন তাহলে পরিবারের কাউকে বলে রাখুন যাতে রাইডার এলে তাড়াতাড়ি নামিয়ে দিতে পারেন। এই অপেক্ষার সময়টা খুব বেশি লম্বা হয় না, সাধারণত ৫ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যেই রাইডার পৌঁছে যায়। 

শেষ পর্যন্ত রাইডার যখন পার্সেল নিয়ে চলে যায় তখন অ্যাপটা আপনাকে "Picked Up" স্ট্যাটাস দেখায় এবং লাইভ ট্র্যাকিং চলতে থাকে। আমি বলি, এই পুরো প্রক্রিয়াটা এতটাই সহজ যে একবার করে দেখলে পরের বার আর কোনো চিন্তা থাকে না। যদি কোনো সমস্যা হয় তাহলে অ্যাপের হেল্প সেকশনে গিয়ে সাপোর্ট চাইতে পারবেন। এভাবে সেন্ড রিকোয়েস্ট করে রাইডারের অপেক্ষা করলে আপনার পার্সেল ডেলিভারি একদম ঝামেলামুক্ত এবং নিশ্চিন্ত হয়ে যায়।

রিকোয়েস্ট ক্যানসেল বা লাইভ ট্র্যাক করার উপায়

কখনো কখনো পার্সেল পাঠানোর রিকোয়েস্ট দেওয়ার পর হঠাৎ করে পরিস্থিতি বদলে যায়। হয়তো রিসিভার বলল যে সে আর বাসায় নেই, বা আপনার কোনো জরুরি কাজ এসে গেল। এমন সময় রিকোয়েস্ট ক্যানসেল করার অপশনটা খুব কাজে লাগে। আমি নিজে কয়েকবার এই অবস্থায় পড়েছি। তবে মনে রাখবেন, রাইডার অ্যাকসেপ্ট করার আগে ক্যানসেল করলে কোনো চার্জ কাটে না, কিন্তু অ্যাকসেপ্ট হয়ে গেলে কিছু ক্ষেত্রে ছোট ফি কাটতে পারে। 

তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সিদ্ধান্ত নেওয়া ভালো। রিকোয়েস্ট ক্যানসেল করতে চাইলে অ্যাপের মেইন স্ক্রিনে নিচের দিকে "Active Request" বা "Current Ride" অপশনে যান। সেখানে আপনার চলমান পার্সেল রিকোয়েস্ট দেখাবে। ডানদিকে তিনটা ডট আইকনে ট্যাপ করলে "Cancel Request" অপশনটা বের হবে। ক্যানসেল করার কারণ সিলেক্ট করতে বলবে। সঠিক কারণ বেছে নিয়ে কনফার্ম করলেই রিকোয়েস্ট বাতিল হয়ে যায়। 

আমি বলি, এই প্রক্রিয়াটা খুব সহজ এবং দ্রুত। রাইডার অ্যাকসেপ্ট করার পর লাইভ ট্র্যাকিং চালু হয়ে যায়। পাঠাও অ্যাপে পার্সেল ডেলিভারি রিকোয়েস্ট দেওয়ার সহজ নিয়ম অনুসরণ করলে এই ট্র্যাকিং ফিচারটা আপনাকে অনেক নিশ্চিন্ত রাখে। আপনি দেখতে পাবেন রাইডার কোথায় আছে, কতক্ষণে আপনার কাছে আসবে এবং পার্সেল ডেলিভারি শেষ হতে কত সময় লাগবে। লাইভ ট্র্যাকিং করার সময় ম্যাপটা খুব স্পষ্টভাবে দেখায়। রাইডারের নাম, ফোন নম্বর, বাইকের নম্বর সবই দেখা যায়। প্রয়োজনে সরাসরি রাইডারকে কল বা মেসেজ করার অপশনও থাকে। 

এতে দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ খুব সহজ হয়। আমার অভিজ্ঞতায় এই ফিচারটা বিশেষ করে বৃষ্টি বা ট্রাফিকের সময় অনেক সাহায্য করে। যদি কোনো কারণে রিকোয়েস্ট ক্যানসেল করেন তাহলে পরে আবার নতুন করে রিকোয়েস্ট দিতে পারবেন। আর লাইভ ট্র্যাকিং সবসময় অন করে রাখলে পুরো ডেলিভারি প্রক্রিয়া নিজের চোখে দেখতে পাবেন। এই দুটো ফিচারই পাঠাও অ্যাপকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে।

শেষ বিশ্লেষণঃ লেখকের মন্তব্য

আসলে পুরো প্রক্রিয়াটা যতটা জটিল মনে হয়, ততটা নয় আমি নিজে যখন প্রথমবার পাঠাও অ্যাপে পার্সেল পাঠিয়েছিলাম তখন মনে হয়েছিল অনেক কিছু মনে রাখতে হবে, কিন্তু দুই তিনবার করার পর দেখলাম সবকিছু এতটাই স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে এখন আর কোনো গাইড লাগে না। ঘরে বসে মোবাইলের কয়েকটা ট্যাপে পার্সেল পাঠানোর এই সুবিধাটা সত্যি বলতে কি আমাদের ব্যস্ত জীবনের জন্য একটা বড় স্বস্তি, বিশেষ করে ঢাকার মতো শহরে যেখানে ট্রাফিক আর সময়ের চাপ সবসময় থাকে। 

তাই আমি বলব, আজই একবার চেষ্টা করে দেখুন একটা ছোট পার্সেল পাঠিয়ে দিন, দেখবেন কত সহজে সব হয়ে যায়। আর কোনো সমস্যা হলে বা আরও কোনো টিপস লাগলে কমেন্টে জানাবেন, আমি সবসময় সাহায্য করতে প্রস্তুত আছি। শেষ কথা, সবসময় সঠিক তথ্য দিন আর নিরাপদে পার্সেল পাঠান, তাহলে আপনার অভিজ্ঞতাও আমার মতোই ভালো হবে। এমন আরো তথ্যমূলক আর্টিকেল পেতে অর্ডিনারি আইটি এর সাথেই থাকুন ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url